Showing posts with label Music. Show all posts
Showing posts with label Music. Show all posts

12 September 2011

তাহসানের সুরে মিথিলার অ্যালবাম


আগামী ঈদুল আজহায় প্রকাশিত হচ্ছে মিথিলা ফারজানার প্রথম একক অ্যালবাম। এরই মধ্যে অ্যালবামটির কাজ শুরু হয়েছে। এই অ্যালবামে মোট ১০টি গান থাকবে। সবকটি গানের সুর ও সংগীতায়োজন করছেন তাহসান। মেলোডি ও রোমান্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের গান থাকবে এই অ্যালবামে। এককের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দ্বৈতগানও স্থান পাবে এতে। অ্যালবামের কয়েকটি গানের কথা লিখেছেন মিথিলা এবং তাহসান। এ প্রসঙ্গে মিথিলা জানিয়েছেন, 'ইচ্ছে ছিল একক অ্যালবাম করার। কাজের ব্যস্ততায় এতদিন সেটা হয়ে ওঠেনি। এখন একটু অবসর পেয়েছি, এজন্য ধীরে ধীরে কাজ শুরু করছি।' মিথিলার নতুন অ্যালবাম সম্পর্কে তাহসান জানিয়েছেন, 'মিথিলার অ্যালবামের কাজে হাত দিয়েছি। ট্র্যাক তৈরি করা শুরু করেছি ইতোমধ্যেই। হয়তো খুব শীঘ্রই গানগুলোতে কণ্ঠ দেবে মিথিলা।' উল্লেখ্য, তাহসানের প্রতিটি একক অ্যালবামেই একটি করে গান গেয়েছেন তার সহধর্মিণী মিথিলা। সেগুলোর মধ্যে রোদেলা দুপুরে, পাগলা ঘুড়ি এবং ঘুমখোয়ারে গানগুলো বেশ প্রশংসিত হয়েছে শ্রোতামহলে। কিছুদিন আগেই প্রকাশিত তাহসানের সর্বশেষ একক অ্যালবাম 'প্রত্যাবর্তন'-এ 'কিছু কথা' শিরোনামের গানটি গেয়েছেন মিথিলা।

01 November 2009

কনকচাঁপা'র কন্যার বিয়েতে তারকার মেলা

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও সংগীত পরিচালক মইনুল ইসলাম খানের একমাত্র কন্যা ফারিয়া ইসলাম খানের বিয়েতে সংগীত তারকাদের মেলা বসেছিল। দেশীয় সংগীতাকাশের প্রায় সব উজ্জ্বল সংগীত তারকা শুক্রবার সন্ধ্যায় অফিসার্স ক্লাবে উপস্থিত হয়েছিলেন নবদম্পতি ফারিয়া ইসলাম খান ও আবদুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়াকে আশীর্বাদ করতে। বিশিষ্ট সংগীত তারকা ফেরদৌসি রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, মো. খুরশীদ আলম, মো. রফিকুল আলম, এন্ড্রু কিশোর, আবিদা সুলতানা, শাম্মি আকতার, শাকিলা জাফর, রিজিয়া পারভীন, কুমার বিশ্বজিৎ, জাহাঙ্গীর, দিনাত জাহান মুনি্ন, সংগীত ব্যক্তিত্ব আলম খান, গীতিকার মিল্টন খন্দকার, কবির বকুলের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানকে অন্যরকম মাধুর্য্য দিতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী জিএম কাদের, সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, চলচ্চিত্র পরিচালক বাদল খন্দকারসহ অনেকে। মইনুল ইসলাম খান ও কনকচাঁপা অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। ঘুরে ঘুরে আপ্যায়নের খোঁজ-খবর নেন। অতিথিরা সবাই নবদম্পতিকে প্রাণভরে আশীর্বাদ এবং তাদের সুখময় দাম্পত্য জীবন কামনা করেন।

07 July 2009

সামিনা ক্ষুব্ধ

বেজায় চটেছেন সামিনা চৌধুরী। সদা সোজা-সাপ্টা কথা বলা এ সংগীত তারকাকে এমনিতেই দারুণ সমীহ করে চলেন সংগীত সংশ্লিষ্টরা। অবস্থান ভেদে সমীহের রূপ বদলালেও সিনিয়র থেকে জুনিয়র পর্যন্ত প্রায় সবাই সামিনার সোজা-সাপ্টা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। যার ফলে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে যেমন তেমন সামিনা চৌধুরীর সঙ্গে কথা আর কাজের ব্যত্যয় ঘটানো মানেই বিপদ। এর পরেও ইন্ডাস্ট্রির নানামাত্রিক প্রযোজক, সুরকার, আয়োজকের কাছ থেকে নিস্তার মিলছে না কোনভাবেই। এ নিয়ে দারুণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন এই স্বনামধন্য শিল্পী। সমপ্রতি কথা দিয়ে কথা না রাখার মতো পরপর তিনটি ঘটনা ঘটেছে সামিনার ক্যারিয়ারে। যার সর্বশেষ শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় গীতিকার সুরকার প্রিন্স মাহমুদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে। প্রিন্স মাহমুদ নিজের মতো করে অনেক দিন ধরেই গান করছেন কুমার বিশ্বজিৎ-এর একটি অ্যালবামের। প্রথমে এটি ছিল একক, নাম ছিল 'মেঘনীলা'। পরে সেটাকে ভেঙে কুমার বিশ্বজিৎ-এর সঙ্গে যোগ করেন সংগীতের জনপ্রিয় দুই বোন ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরীর গান। এ নিয়ে শেষ ক'মাস বিচ্ছিন্নভাবে নানা সংবাদ প্রকাশ হলেও বরাবরই অস্বীকার করে আসছিলেন সামিনা চৌধুরী। তিনি হলফ করেই বলেছেন, না প্রিন্সের সঙ্গে এ ধরনের কোন আলাপই আমার সঙ্গে হয়নি। এটা ভুল তথ্য। আমি এমন কোন অ্যালবামে গাইছি না। সামিনার এমন কথার বিপরীতে গেল সপ্তাহে সর্বশেষ প্রিন্স মাহমুদ সে অ্যালবামটির নতুন নাম ঘোষণা দেন। যার নাম 'বন্ধু গো শোন'। সঙ্গে এও হলফ করে বলেন, এ অ্যালবামে সামিনা চৌধুরীর গানও থাকছে। প্রিন্স মাহমুদের এমন ঘোষণার পর আবারও এ বিষয়ে সামিনার দৃষ্টিপাত করলে একরকম অসহায়ের সুরেই তিনি বলেন, আমি আসলে কি করবো? কার কাছে যাবো। প্রিন্সের কাছে আমার গান থাকতেই পারে। তার মানে তো এই নয়, আমার অবর্তমানে যখন তখন একটা অ্যালবাম তৈরি করবে এবং সেই সংবাদ পত্রিকা থেকে আমাকে জানতে হবে। এটাতো স্বাভাবিক সৌজন্যতার ব্যাপার। সামিনা চৌধুরী শুধু এখানেই ক্ষুব্ধ নন। তিনি আরও ক্ষেপে আছেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সংগীতা এবং অ্যালবাম প্রযোজক নোমান রবিনের ওপরও। এর মধ্যে সংগীতা 'ইত্যাদি'তে প্রচারিত একটি গান দিয়ে সামিনা চৌধুরীর একক অ্যালবাম হিসেবে একটি অ্যালবাম প্রকাশ করে কোন প্রকার আলাপ ছাড়াই। অন্যদিকে নোমান রবিনের প্রযোজনায় লেজার ভিশনের পরিবেশনায় 'বৃষ্টির গান' শীর্ষক একটি মিশ্র অ্যালবামের গান গাইলেও তার সম্মানী উদ্ধার করতে পারছেন না গেল প্রায় মাস ছয়েক ধরে। সামিনা বলেন, নোমান রবিনের কাছে আমি এখনও সাড়ে তিন লাখ টাকা পাবো। অ্যালবাম রিলিজ হয়ে গেছে। এখন আর রবিনকে খুঁজে পাচ্ছি না। অথচ এ অ্যালবামে গান করার জন্য ও আমার পায়ে পর্যন্ত পড়েছে। পরে চুক্তিপত্র করে গাইলাম। আর এখন নাকি ও বাইরে বলে বেড়াচ্ছে আমি টাকা ছাড়া কিছু বুঝি না। এখন চাইলে মামলা করতে পারি। লাভ কি? অন্যদিকে সংগীতা যা করেছে সেটা আরও দুঃখজনক।

10 June 2009

ফাহমিদা-সামিনা'র প্রথম দ্বৈত অ্যালবাম

সংগীতের দীর্ঘ পথ আর সফলতার অনেক চড়াই-উৎরাই পেরম্ননো দুই বোন ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরী। জাদুকণ্ঠী এই দুই বোন টেলিভিশনের জন্য বিভিন্ন সময়ে দ্বৈতভাবে একাধিক গানে কণ্ঠ দিলেও একসঙ্গে অ্যালবাম করা হয়নি তাদের। প্রযোজক-শ্রোতাদের ব্যাপক আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেউ এ দু' বোনকে ব্যাটে-বলে মিলাতে পারেনি এ পর্যন্ত। তবে এবার সেই ঘটনাটাই ঘটছে, যা শুদ্ধ আধুনিক বাংলা গানের শ্রোতাদের জন্য বেশ ভাল একটি সংবাদ। তবে মজার তথ্য হচ্ছে, দুই বোন নিজস্ব উদ্যোগে এ অ্যালবামটি তৈরি করছেন। সামিনা চৌধুরীর অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড মিউজিকের অর্থায়নে নির্মাণ চলতি এ অ্যালবামের সংগীত পরিচালনা করছেন যৌথভাবে প্রিন্স মাহমুদ এবং বাপ্পা মজুমদার - এমনটিই জানালেন সামিনা চৌধুরী। তিনি আরও জানান, নিজেদের কাজ নিজেরা করা অনেক ভাল। তাছাড়া প্রিন্স-বাপ্পা'রা তো থাকছেই। তাছাড়া এ অ্যালবামে আমরা নতুন করে তৈরি করছি দু'বোনের গাওয়া চারটি জনপ্রিয় গান। যেগুলো বিভিন্ন সময়ে টিভিতে প্রচার হয়েছে। যেমন পুরনো গানের মধ্যে রয়েছে তোমারই নাম শুভ্র কপোত, আমার সকল সুখে বুবু, চিকিচিতা এবং নাচ কন্যা। এছাড়াও অ্যালবামে থাকছে আমাদের চার ভাই বোনের একটি যৌথ গান, মোট ১২টি গানের মধ্যে বাকি ছয়টি গান থাকবে তিনটি করে দু'বোনের একক কন্ঠে। জানা যায়, এরই মধ্যে অ্যালবামটির সংগীতায়োজনের কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই শুরু হবে ভয়েস রেকর্ডিং এর কাজ। যা আসন্ন ঈদে প্রকাশ করার ভাবনা রয়েছে ওয়ার্ল্ড মিউজিকের ব্যানারে। শুধু তাই নয়, এই অ্যালবামের গানগুলোর নতুন মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করবেন সামিনা চৌধুরী। এ অ্যালবাম প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, মানুষ তো আমাদের দু'বোনকে পাগল করে দিলো। অ্যালবাম না করে উপায় কি! এটা অবশ্যই ভাল লাগার ব্যাপার। এতে করে আমাদের দু'বোনের পুরনো গানগুলো নতুন করে প্রাণ পাবে। আশা করছি, শ্রোতাদের ভাল লাগবে।

06 June 2009

বসুধা-আর্বের বর্ণাঢ্য অভিষেক

এখন থেকে দেশের কোন কণ্ঠ শিল্পী, যন্ত্রী, সুরকার, গীতিকার এবং সংগীত সংশিস্নষ্ট কাউকে বিনা চিকিৎসায়, অনাহারে কিংবা দারিদ্র্যের দোহাই নিয়ে দুস্থ হয়ে মরতে দেবো না। সংগীত সংশ্লিষ্টদের যে কোন বিপদ-আপদে পাশে থাকবে বসুধা-আর্ব। কথাগুলো বললেন আসিফ আকবর। এর পর পার্থ বড়ুয়া খানিকটা ক্ষমা চেয়ে মনে জমা এক ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেই বললেন, আমাদের এখানে বেশ ক'বছর ধরে শিল্পীরা প্রযোজনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য মানে শিল্পী-কুশলীদের জন্য অনেক বড় সুখের খবর। কারণ শিল্পীরাই তো শিল্প এবং শিল্পীর সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবে। হতাশার বিষয় হচ্ছে বিগত অভিজ্ঞতায় আমাদের প্রযোজক শিল্পীরা তাদের কথা রাখতে পারেন নি। উল্টো তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটা বন্ধ হয়ে গেছে কিংবা বন্ধ হবার পথে। তাই বসুধা-আর্ব তথা আসিফের কাছে প্রত্যাশা অতীতের এ বিষয়টি মাথায় নিয়ে সে তার যাত্রা শুরু করবে। তবে সব শেষে আইয়ুব বাচ্চু সুবীর নন্দীকে সঙ্গে নিয়ে গিটার আর গলার অনন্য যুগলবন্দি পরিবেশনের আগে বললেন, গুণীরা অভিমানী। এটা চিরন্তন সত্য। আবার আমরা অনেকেই আছি প্রযোজকদের কাছে ধরনা দিতে পারি না, অফিসে গিয়ে বলতে পারি না ভাই আমি এটা করেছি কিংবা এটা করতে চাই। আমার আস্থা বসুধা-আর্ব সেই মানুষগুলোর খোঁজ নেবে। নতুনদের পাশাপাশি পুরনোদেরও মূল্যায়ন করবে। এ তিন জনের লাইভ পারফর্মেন্স আর গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা এবং প্রতিশ্রুতির আলাপের ফাঁকে আরও অনেকে অনেক শুভেচ্ছা, সাধুবাদ আর গানে গানে মাতিয়েছেন আমন্ত্রিতরা। নতুন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বসুধা-আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট লি.-এর অভিষেক অনুষ্ঠান হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় নিকট অতীতের সর্বাধিক জমকালো তারকাপূর্ণ এ অনুষ্ঠানের। সন্ধ্যা ছ'টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যা শেষ হয়েছে রাত এগারোটায়। টানা পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপ গুরু আজম খান, সুবীর নন্দী, আলাউদ্দীন আলী, আইয়ুব বাচ্চু, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, এন্ড্রু কিশোর, ফাহমিদা নবী, শাম্মী আখতার, কুমার বিশ্বজিৎ, রিজিয়া পারভীন প্রমুখ। ক্লোজআপ ওয়ান তারকাসহ সংগীত সংশ্লিষ্ট সর্বস্তরের, সব বিভাগের বেশির ভাগ মানুষের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল এই অনুষ্ঠানে। এর আগে দেবাশীষ বিশ্বাস আর নওশীনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখেন বসুধা-আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ আকবর, প্রেস ক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদসহ আরও অনেকে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য শেষে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অসুস্থ বাউল শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে নগদ ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। যা উপস্থিত সবার কাছে অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এরপর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধনী দিনে দু'টি অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয় উপস্থিত প্রায় সব শিল্পী কলাকুশলীর উপস্থিতিতে। অ্যালবাম দু'টির একটি আসিফের 'দরদীয়ারে', অন্যটি পলাশের 'বৃষ্টি তোমাকে চাই।' অনুষ্ঠানের মধ্য সময়ে এসে আবীদ ও পুতুলের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় চলে শিল্পীদের শুভেচ্ছা প্রদান আর সংগীত পরিবেশনের পালা। যার শুরুটা হয় আসিফের 'বেশ বেশ বেশ সাবাস বংলাদেশ' দিয়ে আর শেষটা হয় সুবীর নন্দী ও আইয়ুব বাচ্চুর অনন্য যুগলবন্দি দিয়ে।