Showing posts with label Bindu. Show all posts
Showing posts with label Bindu. Show all posts

31 October 2012

এক টেলিফিল্মে তিন বিন্দু

এক টেলিফিল্মে তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিন্দু। চরিত্র তিনটি হলো পতিতা, মানসিক ডাক্তার ও লেখকের প্রেমিকা। ‘ভেতরের মানুষ’ নামে এই টেলিফিল্মটি একটি অতিপ্রাকৃত গল্প। একজন লেখকের মনোজগতের এক অনিয়ন্ত্রিত ভ্রমণে এগিয়ে চলে টেলিফিল্মের কাহিনী। সেখানে আমরা কয়েকটি ঘটনার মুখোমুখি হই। লেখক চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন। দেওয়ান শামসুর রকিবের রচনা ও আকা রেজা গালিবের পরিচালনায় টেলিফিল্ম ‘ভেতরের মানুষ’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের ৫ম দিন বেলা ২টা ১০ মিনিটে। গল্পে দেখা যাবে, লেখক মেহমুদ রোহান রহস্য গল্প লিখছেন। রাতের ঢাকা। আগন্তুক রাস্তা দিয়ে হাটছে। প্রচন্ড রাগ ও বিরক্ত। পথি মধ্যে দেখা হয় পতিতার সঙ্গে। এড়িয়ে যেতে চাইলেও আগন্তুক মেয়েটিকে কাছে ডাকে। দুষ্ট বুদ্ধি খেলে। পতিতাকে নিয়ে যাবে বলে তার পাশে দাঁড়াতে বলে। মেয়েটি দাঁড়াতেই বিপরীত পাশ থেকে একটি প্রাইভেট কার আসতে থাকে। কাছে আসতেই পতিতাকে কিছু বুঝতে না দিয়ে ধাক্কা দেয়। কার এক্সিডেন্ট। পরদিন আবার লিখতে বসেন। ঘটে আরও অতিপ্রাকৃত গল্প।

17 January 2012

বিন্দুর অপহরণকারী সজল


একক নাটক 'রিভলবিং চেয়ার'-এ অপহরণকারীর চরিত্রে অভিনয় করলেন সজল। তবে এই অপহরণকারীকে নিয়েও রয়েছে রহস্য। নাটকের গল্পে বিন্দু ও মাজনুন মিজানকে দেখা যাবে স্বামী-স্ত্রী চরিত্রে। একে অন্যের প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও ছোটখাটো কিছু ভুল বোঝাবুঝির সূত্র ধরে আলাদ থাকে তারা। বিন্দুর একাকিত্বের সুযোগ নিয়ে একদিন বাড়িতে ঢুকে পড়ে সজল। বিন্দুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে সজল। কিন্তু বিন্দু এত বড় অঙ্কের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় স্বামীর কাছ থেকে অর্থ-সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেয়। আত্মসম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে রাজি হয় না বিন্দু। এতে খুশিই হয় সজল। রহস্যটা ঘনীভূত হয় আরো। অনুরূপ আইচের রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন রিপন মিয়া।

13 October 2010

আবার একসঙ্গে ফেরদৌস ও বিন্দু

দ্বিতীয়বারের মতো চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় করছেন ফেরদৌস ও বিন্দু। প্রথমবার তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ইন্টারস্পিডের প্রযোজনায় ‘জাগো’ ছবিতে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন খিজির হায়াত খান। এরপর তারা একসঙ্গে মডেল হয়েছিলেন একটি হোটেলের বিজ্ঞাপনে। বেশ অনেকটা সময় পর আবার তারা একসঙ্গে অভিনয় করছেন একটি ছবিতে। ছবির নাম ‘৬৯, পাতলা খান লেন’। এটি পরিচালনা করছেন রাফায়েল আহমেদ। বর্তমানে ঢাকায় ছবিটির শুটিং চলছে। পরিচালকের এটিই প্রথম চলচ্চিত্র।। কিন্তু একা আমার পক্ষে যদি সম্ভব না হয়, সেই ভাবনায় কার্ত্তিক দা’র সাহায্য নিচ্ছি। আমার ভাবনা কার্ত্তিক দা’র সঙ্গে শেয়ারের মাধ্যমে তার সর্বাধিক সহযোগিতায় একটি সুন্দর কিছু সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। কার্ত্তিক দা’র সঙ্গে ছবিতে ফেরদৌস ভাই ও বিন্দুকে কাস্ট করেছি। আশা করছি বেশ ভাল কাজ হবে। ফেরদৌস বলেন, আমি কলকাতা এবং মুম্বই’র বেশ কয়েকজন চিত্রগ্রাহকের সঙ্গে কাজ করেছি। এবার কার্ত্তিক গোমেজের সঙ্গে। তাও আবার আমার দেশের ছবিতে। তিনি বেশ ভাল চিত্রগ্রাহক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। এবার সরাসরি জানতে পারছি। পাশাপাশি ছবিতে আমার সঙ্গে রয়েছেন বিন্দু। ‘জাগো’ ছবির পর আমাদের এ ছবিটিও আশা করছি দর্শক বেশ উপভোগ করবেন। বিন্দু বলেন, আমি এরই মাঝে পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছি। ছবির গল্পটি একটু আলাদা। তবে এখনও আমার দৃশ্যের চিত্রায়ণ শুরু হয়নি। আশা করছি সিডিউল অনুযায়ী এই ছবিতে অভিনয় করতে পারবো। তবে ঈদের আগের এই সময়টাতে আমার সিডিউলে সামান্য জটিলতা আছে।। ফেরদৌস আরও বলেন, গোমেজ দা এসেছেন তাই এ সময়টা একটু গ্যাপ থাকায় কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছবিটির কাজ করছি। কারণ, পরশু থেকেই আবার আমার ছবি ‘এক কাপ চা’-এর কাজ শুরু করবো। সিডিউল অনুযায়ী সেই কাজ চলবে কয়েকটি দিন। তারপর আবার এ ছবিটিতে কাজ করবো। তিনি বলেন, আমি পাতলা খান লেন নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করছি, যার স্বপ্ন আমার দীর্ঘদিনের বর্তমানে ডিওএইচএস-এ ছবিটির অফিস দৃশ্যের শুটিং কাজ চলছে।

04 April 2010

বিন্দুর বোকামি!

মাসখানেক আগে রায়হান খানের এক নাটকের কাজে ব্যাংকক গিয়েছি। সঙ্গে মোশাররফ করিম, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, হিলেস্নাল, সকাল আহমেদ, চাঁদনী, নোভা, নওশীন। সবাই হোটেলে উঠেছি। দুপুরে আমি, চাঁদনী আপু, নওশীন খেতে বেরিয়েছি। নোভা হোটেলে।
Add Image

হঠাৎ একজন ফোন দিয়ে বললো, 'বড়দা মিঠুর (মাহমুদুল ইসলাম মিঠু) সঙ্গে রায়হান খানের তুমুল ঝগড়া লেগেছে। খুব খারাপ অবস্থা। শুটিং হবে না। বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে।' কথাটা শুনে আমাদের মন খারাপ হয়ে গেলো। দৌড়ে ছুটে গেলাম হোটেলে। গিয়ে দেখি যা শুনেছি তার চেয়েও গুরুতর অবস্থা। দুটো গ্রুপ হয়ে গেছে। তারা দুজন দুজনকে বকাবকি করছে। দেড় ঘণ্টা যাবৎ বকাবকি চলছে। আমরা ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু কোনো ফল হলো না। তারা একে অপরকে বকাবকি করেই চলেছে। এক পযর্ায়ে মারামারি হতে নেবে, তখনি আমাদের অবাক করে দিয়ে ছেলেরা হেসে ফেললো। আমি কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না। আধঘণ্টা ধরে আমি হতবাক হয়ে রইলাম। ছেলেরা বললো, বিন্দু গেছে। ওর চোখমুখের অবস্থা দেখো! তখনো কিছু বুঝতে পারছি না।

পরে বুঝলাম, ছেলেরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আমাদের বোকা বানাবে। বড়দা মিঠু ও রায়হান ভাইয়ের ঝগড়াটা ছিল সাজানো। তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। আমরা বোকা বনে গেছি। এখনো সেকথা মনে পড়লে ভাবতে অবাক লাগে। সেদিন আমরা মেয়েরা যে কি অবস্থায় পড়েছি তা বলে বোঝানো যাবে না। আসলে আমরা যারা মিডিয়ায় কাজ করি, তারা সবাই একই পরিবারের সদস্যদের মতো। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া বাধলে কোনো পক্ষে না গিয়ে নিরপেক্ষ হয়ে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করতে হয়। আমরা ঠিক তাই করেছি।

আসলে সেদিনই আমরা আরো বুঝতে পেরেছি, পরিবারের সকল সদস্যদের কতোটুকু বন্ধন থাকে।

অনুলিখন : আই ফারুকী