এই প্রথম ইমন আর সারিকা একসঙ্গে অভিনয় করলেন। টেলিভিশনের জন্য নির্মিত
একটি টেলিছবিতে তারা জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন। নাম ‘ভ্যালেন্টাইন’। কাতারের
মনোরম লোকেশনে এই টেলিছবির শুটিং শেষ করে শনিবার রাতে দেশে ফিরেছেন এ দুই
অভিনয়শিল্পী। সারিকা বলেন, ইমন আমার খুব ভাল বন্ধু। বেশ কয়েক বছর ধরে অভিনয়
ও মডেলিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও ইমন ও আমি একসঙ্গে জুটি হয়ে কোন কাজ
করিনি। এবারই প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করলাম। টেলিছবিটি খুব চমৎকার একটি
গল্পের। সারিকা আরও বলেন, কাতারে এখন প্রচণ্ড গরম। এই গরমের মধ্যেই
টেলিছবিটির শুটিং করতে হয়েছে। ইমনের সঙ্গে জুটি হয়ে প্রথম শুটিংয়ে সবাই
মিলে অনেক মজা করেছি। ইমন বলেন, এই টেলিছবিতে প্রথম দিকে আমাকে
অ্যান্টিহিরো হিসেবে দেখানো হবে। তবে শেষদিকে কিছু চমক আছে। সবকিছু মিলে
অন্য রকম একটি গল্পে কাজ করলাম। আমার বিশ্বাস টেলিছবিটি সবার ভাল লাগবে।
উল্লেখ্য, এবারের ঈদে কাতারের প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজনে একটি সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন ইমন ও সারিকা। ওই অনুষ্ঠান শেষে তারা
ওই টেলিছবির কাজ করেন।
Showing posts with label Telefilm. Show all posts
Showing posts with label Telefilm. Show all posts
05 November 2012
31 October 2012
এক টেলিফিল্মে তিন বিন্দু
এক টেলিফিল্মে তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিন্দু। চরিত্র তিনটি হলো পতিতা,
মানসিক ডাক্তার ও লেখকের প্রেমিকা। ‘ভেতরের মানুষ’ নামে এই টেলিফিল্মটি
একটি অতিপ্রাকৃত গল্প। একজন লেখকের মনোজগতের এক অনিয়ন্ত্রিত ভ্রমণে এগিয়ে
চলে টেলিফিল্মের কাহিনী। সেখানে আমরা কয়েকটি ঘটনার মুখোমুখি হই। লেখক
চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন। দেওয়ান শামসুর রকিবের রচনা ও আকা
রেজা গালিবের পরিচালনায় টেলিফিল্ম ‘ভেতরের মানুষ’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে
ঈদের ৫ম দিন বেলা ২টা ১০ মিনিটে। গল্পে দেখা যাবে, লেখক মেহমুদ রোহান রহস্য
গল্প লিখছেন। রাতের ঢাকা। আগন্তুক রাস্তা দিয়ে হাটছে। প্রচন্ড রাগ ও
বিরক্ত। পথি মধ্যে দেখা হয় পতিতার সঙ্গে। এড়িয়ে যেতে চাইলেও আগন্তুক
মেয়েটিকে কাছে ডাকে। দুষ্ট বুদ্ধি খেলে। পতিতাকে নিয়ে যাবে বলে তার পাশে
দাঁড়াতে বলে। মেয়েটি দাঁড়াতেই বিপরীত পাশ থেকে একটি প্রাইভেট কার আসতে
থাকে। কাছে আসতেই পতিতাকে কিছু বুঝতে না দিয়ে ধাক্কা দেয়। কার এক্সিডেন্ট।
পরদিন আবার লিখতে বসেন। ঘটে আরও অতিপ্রাকৃত গল্প।
Labels:
Bindu,
Eid Special Program,
Telefilm,
TV Drama
01 September 2009
হাবিবুল বাশার অভিনয়ে

কত বাঘা বাঘা বোলারকে পিটিয়ে চার-ছয় মেরেছেন, সেই হাবিবুল বাশার এবার ঈদের টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। নাম 'পাসওয়ার্ড'। শিশু সাহিত্যিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত টেলিফিল্ম 'পাসওয়ার্ডে' তিনি অভিনয় করলেন পুলিশের ডিসি চরিত্রে। তার এ সিদ্ধান্ত নিতে সময় লেগেছে ১৪ দিন। শুরুতে জড়তা ছিল বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের। পরিচালক যখন তাকে বলেন, আপনি কেবল আপনার মতো করে বলে যাবেন, ভাববেন না যে অভিনয় করছেন। প্রথম দৃশ্যের পরই দেখা গেল বাশার স্বাভাবিক। চমৎকার অভিনয় করেন তিনি।
বাশারের প্রথম অভিনয় এটি। পরিচালক-সাংবাদিক মাহবুব মতিন যখন তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন, বাশার অনেকটা না করে দেন। বলেন, 'না, আমি পারব না। আমাকে দিয়ে কি অভিনয় হবে? অভিনয় অনেক কঠিন কাজ।' চ্যানেল আইয়ের এক রিপোর্টার তাকে সাহস যোগান। পরিচালক জানিয়েছেন, ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে বাশার যেমন সফল, তেমনি অভিনেতা হিসেবেও চমৎকার পারফরম্যান্স দেখালেন 'পাসওয়ার্ডে'। এ নাটকে তার সঙ্গে আছেন রোকেয়া প্রাচী, হাসান মাসুদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, মডেল ও চিত্রনায়িকা অহনা এবং ইনশা, মহিমা, ফাহিম, প্রাপ্তি, নাহিয়ান, অন্তরসহ একঝাঁক শিশু শিল্পী। ভারতের উড়িষ্যা, পুরি বিচ ও সূর্য মন্দির এবং ঢাকা ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে টেলিফিল্মটি। 'ছোটরাই'-এর ব্যানারে নির্মিত টেলিফিল্মটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মাহবুব মতিন। ১৫ বছরের কিশোর বাবন বাবা-মাকে খুব একটা কাছে পায় না। বাবা-মায়ের ভালোবাসা বঞ্চিত বাবনের সময় কাটে ইন্টারনেট ব্রাউজ বা চ্যাটিং করে। ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয় দীপনের সঙ্গে। দীপন ইন্ডিয়ান। পড়ে একটা মিশনারি স্কুলে। বাবনেরই সমবয়সী। দীপনের আমন্ত্রণে বাবন ভারতের উড়িষ্যা যায়। সেখানে গিয়ে সে অপহরণকারীদের খপ্পরে পড়ে। বাবন দেখে, তার বয়সী আরও বেশকিছু বাংলাদেশী শিশু রয়েছে পাচারকারীদের আস্তানায়। বুদ্ধিমত্তার জোরে শিশুগুলো পালিয়ে আসে সেখান থেকে। তা-ই দেখা যাবে টেলিফিল্মটিতে।
রোকেয়া প্রাচী বাশারের সহশিল্পী। শুরুতে বাশারের সঙ্গে তার কোন দৃশ্য ছিল না। প্রাচী পরিচালককে অনুরোধ করেন, 'এত বড় সুপারস্টার অভিনয় করছেন, অথচ তার সঙ্গে আমার কোন দৃশ্য নেই। এটা কী রকম?' তার অনুরোধে পরিচালক দুটি দৃশ্য বাড়ান। আর বাশার কোন স্ক্রিপ্ট ছাড়াই ওই দুটি দৃশ্যে চমৎকার পারফর্ম করেন।' পুলিশের পোশাক পরে বাশার বারবার নিজের মোবাইলে ছবি তুলছিলেন। আর সেই ছবি এমএমএস করে পাঠিয়েছেন তার ৭ বছরের ছেলেকে। নাটকের কলাকুশলীরা সুযোগ পেলেই বাশারের সঙ্গে ছবি তুলেছেন। রোকেয়া প্রাচী শুটিং স্পটে এসেই দেখেন হাবিবুল বাশারকে। জানতে পারেন এই টেলিফিল্মে বাশারও অভিনয় করছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ফোন করেন তার মেয়েকে। বলেন, 'আজ কার সঙ্গে অভিনয় করছি জানো? তোমার ফেভারিট ক্রিকেটার হাবিবুল বাশারের সঙ্গে।'
Labels:
Bangladesh Cricket,
Habibul Bashar,
Telefilm
Subscribe to:
Posts (Atom)

