25 October 2009

আগামীকাল থেকে এটিএন বাংলায় 'শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা'

আগামীকাল থেকে এটিএন বাংলায় শুরু হচ্ছে নির্মাণ কর্মীদের নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক গানের অনুষ্ঠান 'শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা'। অনুষ্ঠানটি এখন থেকে প্রতি সোমবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার এবং শনিবার সকাল ১১টা ০৫ মিনিটে পুনঃপ্রচার হবে। নির্মাণ কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান, বহুমুখী প্রতিভার নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং পেশাগত জীবনকে আরও অর্থবহ ও উদ্দীপনাময় করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রায় ৩০ হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে গত ৪ঠা জুন নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু করে দেশের সব জেলার প্রতিযোগীদের নিয়ে ইতিমধ্যে ২২টি পর্বে বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। ইয়েস কার্ড পাওয়া ৩০৩ জনের মধ্য থেকে সেরা ১৫ খুঁজে বের করা হয় চূড়ানত্দ প্রতিযোগিতার জন্য। প্রতিযোগীরা হলেন- যশোরের আনন্দ কুমার দত্ত, পিরোজপুরের মহিদুল ইসলাম বাবু, খুলনার মো. সুমন, ময়মনসিংহের মো. হানিফ, টাঙ্গাইলের বনস্পতি মজুমদার, জামালপুরের সুবর্ণ চৈতী আকাশী, মানিকগঞ্জের জাহিদুল ইসলাম, নরসিংদীর মোশারফ হোসেন, সুনামগঞ্জের শাহানা আক্তার, ধানমন্ডির সুকান্ত অধিকারী, শেরপুরের মেহেদী হাসান, গুলশানের আখতারুল ইসলাম, রমনার ইশতিয়াক, যাত্রাবাড়ীর মো. আদি ও মো. শামীম। সেরা ১৫ জনের মধ্য থেকেই খুঁজে বের করা হবে সেরা নির্মাণের তারকা। সেরা ১৫ জনের পারফরমেন্স দিয়েই আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে প্রচার। এই ১৫ জন থেকে নির্বাচন করা হবে সেরা পাঁচ, যাদের জন্য থাকছে ১৫ লাখ টাকার পুরস্কার। এ পর্যায়ে বিচারক হিসেবে থাকছেন কণ্ঠশিল্পী ফাতেমাতুজ জোহরা, এস আই টুটুল ও মমতাজ। চূড়ান্ত পর্বগুলো উপস্থাপন করবেন জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজ ও তার স্ত্রী মডেল তিনা। প্রতিযোগিতার পরিচালক রাসেল মাহমুদ এবং নির্বাহী পরিচালক তাশিক আহমেদ।

22 October 2009

অাঁখি আলমগীরের কন্যার পিতৃত্ব দাবি মার্কিন নাগরিক রুশো'র

নিউ ইয়র্ক থেকে এনা: ৫ বছর বয়সী আরিয়ার পিতা কে - এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে নিউ ইয়র্কের মর্টগেজ ব্রোকার তাওহিদ সিদ্দিকী ওরফে রুশো স্টেট ডিপার্টমেন্টের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অাঁখি আলমগীরের গর্ভে জন্ম হওয়া আরিয়া'র পিতৃত্ব নির্ধারণে যত ডলার প্রয়োজন তা ব্যয়েও আপত্তি নেই তার। কন্যার পিতৃত্ব নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান না ঘটলে ভবিষ্যতে রুশোর কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি ঢাকা-নিউ ইয়র্ক-ওয়াশিংটন ডিসিতে চিঠি চালাচালি এবং এটর্নির পরামর্শ নিচ্ছেন। অাঁখি আলমগীরের সঙ্গে রুশোর চুটিয়ে প্রেম এবং অবশেষে কলকাতায় গিয়ে বিয়ে, বিয়ের আগে ও পরে বিভিন্ন দেশে আনন্দ ভ্রমণ এবং উচ্ছল আনন্দের জীবন যাপনের বেশ কিছু ছবি সংবলিত অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন বুধবার (২১শে অক্টোবর) প্রকাশিত 'ঠিকানা'য় 'শিল্পী অাঁখি আলমগীরের গর্ভের সন্তান আমার' - দাবি প্রবাসী রুশোর' শিরোনামে ছাপা হয়েছে। সংবাদটি প্রবাসে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের বিখ্যাত একটি সাংস্কৃতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে আঁখি আলমগীরের প্রতি সবারই বিশেষ মমত্ববোধ রয়েছে। এ সংবাদে সবাই আশাহত হয়েছেন। 'ঠিকানা'য় প্রকাশিত সংবাদের অংশবিশেষ এখানে উপস্থাপন করা হলো।

রুশো ঠিকানা অফিসে এসে ১৯শে অক্টোবর অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী মাশহুরা আলমগীর অাঁখি ওরফে অাঁখি আলমগীরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গাঢ় হয় ২০০৪ সাল থেকে নিউ ইয়র্ক সিটিতে। বিভিন্ন শো করার জন্য যখনই অাঁখি আলমগীর নিউ ইয়র্কে এসেছে তখনই আমার সঙ্গে রাত কাটিয়েছে এবং এক পর্যায়ে সে আমার স্ত্রী হিসেবে দিনের পর দিন অতিবাহিত করেছে আমার বাসায়। সে তার স্বামীকে তালাক দিয়েছে বলে জানানোর পর আমি তাকে সেভাবে আশ্রয় দিতে কুণ্ঠাবোধ করিনি। রুশো বলেন, অাঁখি আমার সঙ্গে তার সম্পর্ককে অস্বীকার করছে, অথচ ২০০৪ সাল থেকে এ বছরের মে মাস পর্যন্ত যতবার আমেরিকায় কনসার্ট করতে এসেছে, প্রতিবারই পি-৩ ভিসার আবেদনে আমার নাম ব্যবহার করেছে এবং আই-৯৪ ফরমে আমার নাম-ঠিকানা দেয়া হয়। শুধু তাই নয় - আমেরিকায় কনসার্টের জন্য আয়কৃত অর্থের ট্যাক্স রিটার্নও আমাকেই করতে হয়েছে। এগুলো ফেডারেল ডকু্যমেন্ট - তা অস্বীকারের উপায় কারও নেই। রুশো বলেন, অাঁখি আর আমি একত্রে ঢাকার শাহীন স্কুল ও কলেজে পড়তাম। দু'জনের বন্ধুত্ব ছিল অত্যন্ত গভীর। আমরা একত্রে মিউজিক করতাম। সে গান করতো, আমি তবলা বাজাতাম। সেসব স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে ফিরতো। কিন্তু অাঁখির সেলিব্রেটি হওয়া এবং অন্য ছেলেকে বিয়ের পর আমি সে সব ভুলে নতুন জীবন শুরু করেছিলাম। নিউ ইয়র্কে ব্যবসা-চাকরি ইত্যাদি নিয়ে ভালই চলছিল। এমনি অবস্থায় ঝড়ের মতো উড়ে এসে আমার সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে আঁখি নামক কণ্ঠশিল্পী। রুশো বলেন, ২০০৪ থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত আমি অাঁখির একাউন্টে ৭৪ হাজার ডলারের বেশি পাঠিয়েছি। এছাড়া নগদ কত অর্থ ব্যয় হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। ইটালি, কানাডা, লন্ডন, দুবাই, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর গিয়েছি দু'জনে চিত্তবিনোদনের জন্য। সবশেষে ২০০৬ সালের ২৯শে ডিসেম্বর আমরা কলকাতার একটি হোটেলে অবস্থানকালে কাজী (নিকটস্থ মসজিদের ইমাম এবং দু'জন সাক্ষী) ডেকে এনে মুসলিম রীতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। হাঁফ ছেড়ে বাঁচে অাঁখি। কেননা এর আগেই জন্ম হওয়া আরিয়ার বাবা হিসেবে আমাকে গ্রহণ করে সে। কলকাতা থেকে ফিরে আমরা ঢাকায় কোরবানি ঈদ করি। রুশো বলেন, ১৯৯৭ সালে আমেরিকায় বসতি শুরুর পর সেটি ছিল আমার প্রথম ঢাকায় যাওয়া। এরপর আমি আমার ঔরসজাত সন্তান আরিয়ার জন্য সব কিছু করি। ঢাকায় উত্তরার বাসায় অবস্থান করেছি বহুদিন অাঁখির সঙ্গে। ওর মা-বাবাও আমাকে গ্রহণ করেন। এসব বিষয় কারও অজানা নেই। আমি ও অাঁখি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে উত্তরায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে একটি একাউন্ট খুলেছি ২০০৭ সালের ১১ই ডিসেম্বর। সে একাউন্টে অাঁখির বাসার ঠিকানা (হাউজ-৮১, ফ্ল্যাট-৫সি, সেক্টর-৪, রোড-৭, উত্তরা) ব্যবহার করা হয়েছে। সে একাউন্টে নিউ ইয়র্ক থেকে টাকা পাঠিয়েছি দীর্ঘ সময়। অাঁখির খালাসহ আমার সব আত্মীয়-স্বজন জানেন যে আমরা বিয়ে করেছি। অাঁখি সেভাবে সবার সঙ্গে আচরণ করেছে। এমনকি আমার ঢাকাস্থ আত্মীয়-স্বজনকেও সে তার বাসায় দাওয়াত করেছিল। রুশো বলেন, আঁখির উত্তরাস্থ বাসার যাবতীয় ফার্নিচার এবং তার গাড়ি ক্রয়ের টাকাও আমি দিয়েছি। এগুলোর সঙ্গে ওই ৭৪ হাজার ডলারের কোন সম্পর্ক নেই। সিলেটের বালাগঞ্জের তাজপুরের সন্তান রুশো 'ঠিকানা'কে অন রেকর্ড আরও বলেন, এ বছরের জুন মাসে আঁখি ঢাকায় যায় এবং তারপরই ঝামেলার সূত্রপাত। রুশো বলেন, অাঁখি এখন আর স্বীকার করতে চায় না যে আরিয়া আমার সন্তান। সে নাকি তার আগের স্বামীর (যার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তালাক দিয়েছে বলে আমাকে জানিয়েছিল) কাছে ফিরে গেছে এবং সে লোকটিও তাকে গ্রহণ করেছে। রুশো বলেন, এরপর আমি অনেকবার ফোন করেছি আঁখিকে, কিন্তু সে নম্বর পরিবর্তন করেছে। রুশো অভিযোগ করেন, অাঁখি আমার আত্মীয়-স্বজনকে হুমকি দিচ্ছে নানাভাবে। আমি এসব হুমকিকে কেয়ার করি না, আমি শুধু আমার সন্তানকে ফিরে চাই। আরিয়া আমার সন্তান কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমি ডিএনএ টেস্টের চেষ্টা করছি। কিন্তু অাঁখি ও তার মা-বাবা রাজি হচ্ছেন না। আমি আমেরিকার সিটিজেন হিসেবে আমার সন্তানের (অাঁখির বক্তব্য এবং নিউ ইয়র্কে আমার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে অবস্থানের মেয়াদ অনুযায়ী) অধিকার আদায় করতে বদ্ধপরিকর। আরিয়া যদি আমার সন্তান না হয়ে থাকে তাহলে কোন কথাই বলবো না। ভাববো, অাঁখি আমার জীবনে একটি দুঃস্বপ্ন। আর ডিএনএ টেস্টের পর যদি প্রমাণিত হয় যে আরিয়া আমার ঔরসজাত সন্তান তাহলে আমি সে অধিকার ছাড়বো কেন? কমু্যনিটি এবং বাংলাদেশের বিবেকবান মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রুশো বলেছেন, আমি যদি আরিয়ার পিতা হয়ে থাকি তাহলে অাঁখির এহেন আচরণের বিচার করম্নন আপনারা। অর্থকড়ি কিছুই চাই না অাঁখির কাছে, শুধু আমার আরিয়াকে ফেরত চাই। রুশো অভিযোগ করেছেন যে অাঁখির অভিভাবকরা মাস্তান ভাড়া করেছেন আমাকে এবং আত্মীয়-স্বজনকে হেনস্তা করার জন্য। ইতিমধ্যেই তারা ভয়-ভীতিও প্রদর্শন করে চলেছে। নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের দু'ব্যক্তি আমার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এরপর তারা হাওয়া হয়ে গেছেন।

এ ব্যাপারে ঢাকায় টেলিফোনে অাঁখি আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়। কিন্তু টেলিফোনে তাকে পাওয়া যায়নি বলেও 'ঠিকানা'য় প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।

19 October 2009

নকিয়া'র আয়োজনে বাংলাদেশে রিয়েলিটি শো'র নতুন অধ্যায় 'উত্তরাধিকার'

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকের রিয়েলিটি শো 'উত্তরাধিকার'। যা বাংলাদেশের রিয়েলিটি শো কালচারে নতুন অধ্যায় যোগ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান নকিয়া বাংলাদেশ। এমন বার্তা প্রকাশের লক্ষ্যে আর এই রিয়েলিটি শো'র ধরন ও অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় করিয়ে দিতে গতকাল হোটেল সোনারগাঁও-এর বলরুমে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যাতে উপস্থিত ছিলেন নকিয়া ইমার্জিং এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার প্রেম চাঁদ, নকিয়া ইমার্জিং এশিয়ার হেড অব মার্কেটিং নওফেল আনোয়ার, আয়োজনটির ক্রিয়েটিভ পার্টনার এশিয়াটিক জেডবি্লউটি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী যাকের, নির্মাণ ও ক্যামেরা প্রতিষ্ঠান পার্টনার হাফ স্টফ ডাউনের পরিচালক অমিতাভ রেজাসহ 'উত্তরাধিকার' সংশ্লি্লষ্ট আরও অনেকে। সংবাদ সম্মেলনের প্রথমে সুসজ্জিত সেটে জমিদার বাড়িক ফটকের সামনে এক এক করে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় 'উত্তরাধিকার'-এ ১০ তারকা অংশগ্রহণকারীকে। এদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী ইলোরা গহর, মডেল ও অভিনেতা মনির খান শিমুল, ফটো সুন্দরী শানু, অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়, অভিনেতা তুষার খান, র্যাম্প মডেল ইমি, ব্ল্ল্যাক ব্যান্ডের ভোকাল জন, মডেল-চিত্রনায়ক ফারদিন খান এবং অভিনেত্রী লারা লোটাস। ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে এদিন অনুষ্ঠানের আরেকজন প্রতিযোগী চিত্রনায়িকা সিমলা উপস্থিত থাকতে পারেননি। সম্মেলনের পরিচয় পর্ব শেষে নকিয়া ইমার্জিং এশিয়ার কমিউনিকেশন ম্যানেজার মৌটুসী কবিরের প্রাঞ্জল সঞ্চালনায় 'উত্তরাধিকার' প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলাপ করেন নওফেল আনোয়ার, আলী যাকের এবং অমিতাভ রেজা। বক্তাদের আলাপে জানা যায়, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত জমিদার বাড়িতে অংশগ্রহণকারী ১০ তারকা প্রতিযোগী টানা দুই মাসের জন্য অবস্থান করবেন। আর তাদের সবার মাঝে শত বছরের সেই পুরনো জমিদার বাড়ির জমিদারের অদৃশ্য আত্মা থাকবে পরিদর্শক হিসেবে। জানা যায়, এ দুই মাসের প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা সবার অলক্ষ্যে ধারণ করা হবে ক্যামেরায়। তুলে আনা হবে এই ১০ তারকার মধ্যে ঘটে যাওয়া নানা উত্তেজনা, উৎকণ্ঠা আর আনন্দময় মুহূর্তের কথা ও ছবি। যে চিত্রের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পাবে পর্দার তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনাচরণ। যেই জীবনাচরণের নানাবিধ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে জমিদার সাহেব নির্বাচন করবেন তার জমিদারির একজন সেরা উত্তরাধিকার। দর্শকরা এই ভিন্ন ধারার রিয়েলিটি শোটি প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে উপভোগ করতে পারবেন চ্যানেল আই-এর পর্দায়। শুধু তাই নয়, দর্শকরাও এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন পর্যায়ক্রমে। আয়োজকরা জানান, পর্যায়ক্রমে এই রিয়েলিটি শো'টিকে ঘিরে চমক তৈরি করা হবে আরও। যা বাংলাদেশের রিয়েলিটি শো কালচারে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করবে, তৈরি করবে তারকা ও সাধারণ দর্শকদের মধ্যে অনন্য যোগসূত্র। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এটি প্রথম হলেও অনেকটা একই ধাঁচের রিয়েলিটি শো এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী দারুণভাবে সাড়া ফেলেছিল লন্ডনের 'বিগ ব্রাদার' এবং ভারতের 'বিগ বস' অনুষ্ঠান দু'টির মাধ্যমে। নকিয়ার 'উত্তরাধিকার'ও তেমন সাড়া ফেলবে_ এমনটাই আশাবাদ আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে।

03 October 2009

চ্যানেল আইয়ের জন্মদিনে আনন্দের বন্যা


'মানুষের বয়স যত বাড়ে তত সে প্রবীণ হয়। আর প্রতিষ্ঠানের বয়স যত বাড়ে তত সে তরুণ হয়। চ্যানেল আই ১১ বছরের এক তরুণ বয়সে পদার্পণ করল। তাদের জন্য রইল আমার শুভেচ্ছ।' গতকাল চ্যানেল আইয়ের জন্মদিনে প্রতিষ্ঠান কার্যালয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এসে কথাটি বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এই 'তরুণ' চ্যানেলটিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে বিভিন্ন রাজনীতিক, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মীরা দিনভর উপস্থিত হন চ্যানেলটির তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে।

কার্যালয়ের সামনের বিস্তৃত লনে জমকালো মঞ্চে লাল-সবুজ রঙ দিয়ে লেখা ছিল - '১১ বছরে আমার চ্যানেল আই'। সকাল থেকে এ মঞ্চে নেচে-গেয়ে ১১তম জন্মদিনটি মাতিয়ে রাখেন দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা। খুরশীদ আলম, ফকীর আলমগীর, এসডি রুবেল, বিপ্লব, পলাশ, আগুন, ফাহমিদা নবী, চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ, ক্ষুদে গান রাজ এবং সুর দরিয়া এপার-ওপারের সঙ্গীত শিল্পীরা একে একে গান গেয়ে শোনান। জন্মদিনের সব আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করেছে চ্যানেল আই।

জন্মদিনের উৎসবের সূচনা হয় সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর প্রাঙ্গণ থেকে। সেখান থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। শুধু আনন্দ-উৎসব নয়, জন্মদিনে চ্যানেল আই এক মানবিক উদ্যোগও গ্রহণ করে। অভিনেতা চ্যালেঞ্জারের চিকিৎসা ব্যয় জোগানের জন্য একটি তহবিল গঠন করা হয়। ১১ বছরে পদার্পণ নিয়ে চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, 'আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। দর্শকের প্রত্যাশাও বেড়েছে। আমরা সেই প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাব প্রতিনিয়ত।'

সন্ধ্যায় জন্মদিনের বিশাল কেক কাটেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এই কেক কাটার মাধ্যমেই গোটা দিনের আনন্দ আসরের হাট ভাঙে। ঢাকার বাইরের চট্টগ্রাম ও রংপুরেও আয়োজন করা হয়েছিল জন্মদিন উৎযাপনের বিশেষ আয়োজন। ১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর এই বেসরকারি টিভি চ্যানেলটি বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে তাদের সম্প্রচার শুরু করে।