15 April 2009

Début Album of Jewel Rana and Jhuma

প্রকাশ পেয়েছে ক্ষুদে গানরাজ জুয়েল রানা-ঝুমা'র অভিষেক অ্যালবাম


প্রকাশ পেয়েছে ক্ষুদে গানরাজ জুয়েল রানা এবং ঝুমা'র অভিষেক একক অ্যালবাম। সম্পূর্ণ মৌলিক গান দিয়ে সাজানো অ্যালবাম দু'টি প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গানচিল। এ উপলৰে গতকাল চ্যানেল আই স্টুডিওতে আয়োজন করা হয় একটি সংবাদ সম্মেলনের। এতে জুয়েল রানা ও ঝুমা'র পাশাপাশি আরও উপস্থিত ছিলেন গানচিলের পৰ থেকে গীতিকার আসিফ ইকবাল, অ্যালবাম দুটির গীতিকার-সুরকার ফকির শাহাবুদ্দিন এবং পস্নাবন কোরেশী। অ্যালবাম দু'টি প্রসঙ্গে এর আয়োজক-সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফকির শাহাবুদ্দিন বলেন, সত্যি বলতে অ্যালবাম দুটি তৈরির প্রাক্কালে একটু টেনশনে ছিলাম। কারণ আমরা সাধারণত যে ধরনের কথা এবং বিষয়ের গান নিয়ে কাজ করি সেসব গান এই ক্ষুদে গানরাজদের কণ্ঠে ঠিক মানানসই হবে না। ফলে আমি সাহায্য নিয়েছি গীতিকার পস্নাবন কোরেশীর। অ্যালবাম দুটির প্রায় সবক'টি গানই নতুন করে লেখা হয়েছে এ দু'জনের কণ্ঠ এবং বয়সটাকে বিচার করে। আশা করি, অ্যালবামের গানগুলো আপনাদের ভাল লাগবে। অন্যদিকে প্রথম একক প্রকাশের বিষয়ে দেশের প্রথম ক্ষুদে গানরাজ সংশিস্নষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চেষ্টা করেছি স্যারদের (সুরকার-গীতিকার) কথা মতো গান গাইতে। আশা করি, আপনাদের মন জয় করতে পারবো আবারও। আমার জন্য দোয়া করবেন। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন অ্যালবাম সংশিস্নষ্টরা। যাতে ওঠে আসে এত তাড়াহুড়ো করে অ্যালবাম প্রকাশের কারণ, অনুষ্ঠান আর অ্যালবাম প্রকাশের ডামাডোলে জুয়েল রানা ও ঝুমা'র পড়াশোনার ব্যাঘাতের বিষয় এবং শিশু শিল্পীর অ্যালবাম হয়েও শিশুতোষ গান না থাকার কারণসহ বিভিন্ন বিষয়। জমজমাট এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই স্টুডিও থেকে সরাসরি সমপ্রচার করা হয় চ্যানেল আই-এর নিয়মিত সরাসরি অনুষ্ঠান 'সিটিসেল তারকা কথন' এর মাধ্যমে। এদিকে প্রকাশিত এ অ্যালবাম দুটির মধ্যে স্থান পেয়েছে ১০টি করে মোট ২০টি ফোক গান। যার সিংহভাগই মৌলিক কথা ও সুরে সাজানো। যা এখন সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে।

12 April 2009

হুমায়ূন আহমেদ ক্যামেরার সামনে

দেশে এখন এত চ্যানেল আর নাটক-অনুষ্ঠানের রকমারী আয়োজনের ভিড়ে এমন কোন তারকা কিংবা স্বনামধন্য ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যিনি এসবে শামিল হননি একবারও। এর মধ্যে ব্যতিক্রম শুধু একজন। তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার, নাট্যকার, গীতিকার হুমায়ূন আহমেদ। যাকে আজ অবধি কোন টিভি চ্যানেল কিংবা অন্য কোন ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্যামেরার সামনে বসাতে পারেনি একবারও। তিনি নিজেও নিজের নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে নিজেকে দাঁড় করাননি কখনও, যেমনটি ঘটে অন্য অনেক নির্মাতার বেলায়। এবার সেই অসাধ্য বিষয়টিকে সাধ্যে রূপ দিয়েছে নতুন চ্যানেল দেশ টিভি। পহেলা বৈশাখের বিশেষ একটি আয়োজনে প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। তাও আবার শুধুমাত্র অতিথি হয়ে নয়, উল্টো অতিথিদের সঞ্চালক হিসেবে থাকছেন এ আয়োজনে। পহেলা বৈশাখে দেশ টেলিভিশনের বিশেষ আয়োজনের জন্য নির্মিত এ অনুষ্ঠানের নাম 'নুহাশ পলস্নীতে বৈশাখী জলসা'। ভিন্ন ধারার এ অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করেছেন হুমায়ূন আহমেদের লম্বা সময়ের প্রধান সহকারী জুয়েল রানা। এ আয়োজন প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ সরাসরি কোন মনত্দব্য না করলেও জুয়েল রানা জানান, এটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমি নিজেও ভাবতে পারিনি স্যার প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন, তাও আবার আমার মতো একজন ক্ষুদ্র মানুষের নির্দেশনায়। কারণ আমি নিজেই দেখছি এই ক্যামেরার সামনে দাঁড় করাবার জন্য কত মানুষের কত রকম অফার, কত রকমের চেষ্টা, পরিকল্পনা এখনও চলছে স্যারকে নিয়ে। অথচ স্যার সবাইকে চমকে দিয়ে আমাকে এই গুরম্ন দায়িত্বটা তুলে দিলেন, যার যোগ্য হয়তো আমি নই। তবে এটা ঠিক স্যার আমাকে এ অনুষ্ঠান নির্মাণের জন্য সবরকমের সহযোগিতা করেছেন। এর পরিকল্পনাও স্যারের। নির্মাতা সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতি বছরই নুহাশ পলস্নীতে বিশেষ দিবস কিংবা সময়ে বিশেষ বিশেষ উৎসবের আয়োজন করা হয়। যে উৎসবে অংশ নেন নুহাশ পলস্নী সংশিস্নষ্ট শিল্পী-কুশলী-বন্ধুরা। এবারও পহেলা বৈশাখ উপলৰ্যে আয়োজন করা হবে এমন একটি অনুষ্ঠান। ঠিক সে অনুষ্ঠানের আদলে নির্মিত হয়েছে এ অনুষ্ঠানটি। যেখানে স্যার আড্ডায় মাতবেন অভিনয় শিল্পী জয়নত্দ চট্টোপাধ্যায়, শাওন, নাজনীন নাজ, পুতুল, কমল, আমিনুল হক সেহেরী, সালেহ চৌধুরী, পুতুল, সংগীত শিল্পী এসআই টুটুল, নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদসহ আরও অনেকে। যেখানে হুমায়ূন আহমেদ ও অতিথিদের গল্পের ফাঁকে ফাঁকে পাঁচটি গান গেয়ে শোনাবেন শাওন। আর এ অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে পহেলা বৈশাখের দিন রাতে দেশ টিভির পর্দায়।

পহেলা বৈশাখে চ্যানেল আই'তে 'বৃষ্টি ভেজা আকাশ'

পহেলা বৈশাখে চ্যানেল আইয়ের আয়োজনের মধ্যে থাকছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'বৃষ্টি ভেজা আকাশ'-এর টিভি ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার। প্রচার হবে বেলা ২.৩৫ মিনিটে। ফেরদৌস, মৌসুমী ও শাকিল খান অভিনীত রোমান্টিক গল্পের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন সোহানুর রহমান সোহান। বাংলালিংক নিবেদিত ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি.। এ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র, আফজাল শরীফ, খালেদা আক্তার কল্পনা প্রমুখ। ছবির গল্পে দেখা যাবে, এক ঝড়ের রাতে আকাশ ও বৃষ্টির পরিচয় হয়। প্রথম দেখাতেই তাদের ভালোলাগা এবং ভালোবাসার সূচনা হয়। এদিকে বৃষ্টির বাবা তার বিয়ে ঠিক করে সাগর নামের এক ডাক্তারের সঙ্গে। বৃষ্টি বিষয়টি জানতে পেরে তার বাবাকে তার ভালোবাসার কথা বলে এবং সে তাও জানিয়ে দেয় আকাশকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করতে পারবে না। অবশেষে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আকাশের বাড়িতে যায় বৃষ্টির বাবা। কিন্তু আকাশের বাবা বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ছবির গল্প মোড় নেয় নতুনদিকে।