সময়ের ব্যস্ত তারকা মোনালিসার ব্যাটে-বলে মিলছে না। স্ক্রিপ্ট পছন্দ হয়তো নির্মাতা পছন্দ হয় না। আবার নির্মাতা পছন্দ হলে হয়তো স্ক্রিপ্ট পছন্দ হয় না। এ কারণে ব্যাটে-বলে না মিলায় বিজ্ঞাপনের কাজ করা হয়ে উঠছে না তার। তিনি জানান, এ সমস্যার কারণে তিনি বিজ্ঞাপন করতে পারছেন না। তবে পছন্দমতো হলে তিনি বিজ্ঞাপনের কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাহলে তিনি কি করছেন এ সময়ে? মোনালিসার কাছ থেকে জানা গেল তিনি এখন নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। শুটিংয়ে ব্যস্ত আগুন আহমেদের কাহিনী ও পরিচালনায় নাটক 'দুই পক্ষ' নিয়ে। শুটিংয়ের ফাঁকে তার সঙ্গে কথা হলো। মোনালিসা নাটকের কাহিনী সম্পর্কে বলেন, দুই বাড়ির গৃহকর্তা একে অপরকে দেখতে পারেন না। এই দুই বাড়ির ছেলে ও মেয়ে একে অপরকে ভালবাসে। তাদের ভালবাসার প্রতিকূলতা নিয়ে গড়ে উঠেছে নাটকের কাহিনী। এছাড়া তার অভিনয়ে নাটকের শুটিং চলছে এনটিভিতে প্রচার চলতি সালাউদ্দিন লাভলুর 'বাড়ি বাড়ি সারি সারি' এবং 'গরিবের কপালে শান্তি নাই'-এর। এর বাইরে চ্যানেল আই'তে প্রচারিত হচ্ছে দীপঙ্কর দীপন ও তুহিন আহমেদের 'নাইন মান্থস ইন ব্রিকলেন' ও দিগন্ত টিভিতে 'শেষ কথা' নাটকের। অনেক দিন ধরে তাকে কোন নাচের অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে না - এ প্রশ্নের উত্তরে মোনালিসা বলেন, পছন্দমতো কোন নাচের অনুষ্ঠান না হওয়ায় স্টেজে নাচের পারফর্ম করা হয়ে উঠছে না। ছোট পর্দার অনেকে বড় পর্দায় কাজ শুরু করেছে। এ মাধ্যমে কাজ করবেন কিনা এর উত্তরে তিনি বলেন, অনেক সুযোগ পেলেও বড় পর্দায় অভিনয় করিনি, আপাতত কোন ইচ্ছাও নেই।22 June 2009
মোনালিসা'র ব্যাটে-বলে মিলছে না
সময়ের ব্যস্ত তারকা মোনালিসার ব্যাটে-বলে মিলছে না। স্ক্রিপ্ট পছন্দ হয়তো নির্মাতা পছন্দ হয় না। আবার নির্মাতা পছন্দ হলে হয়তো স্ক্রিপ্ট পছন্দ হয় না। এ কারণে ব্যাটে-বলে না মিলায় বিজ্ঞাপনের কাজ করা হয়ে উঠছে না তার। তিনি জানান, এ সমস্যার কারণে তিনি বিজ্ঞাপন করতে পারছেন না। তবে পছন্দমতো হলে তিনি বিজ্ঞাপনের কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাহলে তিনি কি করছেন এ সময়ে? মোনালিসার কাছ থেকে জানা গেল তিনি এখন নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। শুটিংয়ে ব্যস্ত আগুন আহমেদের কাহিনী ও পরিচালনায় নাটক 'দুই পক্ষ' নিয়ে। শুটিংয়ের ফাঁকে তার সঙ্গে কথা হলো। মোনালিসা নাটকের কাহিনী সম্পর্কে বলেন, দুই বাড়ির গৃহকর্তা একে অপরকে দেখতে পারেন না। এই দুই বাড়ির ছেলে ও মেয়ে একে অপরকে ভালবাসে। তাদের ভালবাসার প্রতিকূলতা নিয়ে গড়ে উঠেছে নাটকের কাহিনী। এছাড়া তার অভিনয়ে নাটকের শুটিং চলছে এনটিভিতে প্রচার চলতি সালাউদ্দিন লাভলুর 'বাড়ি বাড়ি সারি সারি' এবং 'গরিবের কপালে শান্তি নাই'-এর। এর বাইরে চ্যানেল আই'তে প্রচারিত হচ্ছে দীপঙ্কর দীপন ও তুহিন আহমেদের 'নাইন মান্থস ইন ব্রিকলেন' ও দিগন্ত টিভিতে 'শেষ কথা' নাটকের। অনেক দিন ধরে তাকে কোন নাচের অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে না - এ প্রশ্নের উত্তরে মোনালিসা বলেন, পছন্দমতো কোন নাচের অনুষ্ঠান না হওয়ায় স্টেজে নাচের পারফর্ম করা হয়ে উঠছে না। ছোট পর্দার অনেকে বড় পর্দায় কাজ শুরু করেছে। এ মাধ্যমে কাজ করবেন কিনা এর উত্তরে তিনি বলেন, অনেক সুযোগ পেলেও বড় পর্দায় অভিনয় করিনি, আপাতত কোন ইচ্ছাও নেই।
Labels:
Monalisa
15 June 2009
স্টার সিনেপেস্নক্সে 'পিংক প্যান্থার টু' বাংলাদেশে ঐশ্বর্য রাই
ভারতের রাষ্ট্র্রীয় পুরস্কার 'পদ্মশ্রী' খেতাবে সম্মানিত, সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন প্রথমবারের মতো অভিনয় করেছেন হলিউডের ছবিতে। হ্যারল্ড জোয়ার্ট পরিচালিত 'পিংক প্যান্থার টু' নামের এই ছবিটি শিগগিরই ঐশ্বর্য ভক্তদের মনোরঞ্জনের জন্য বাংলাদেশে হাজির হচ্ছে। বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপেস্নক্সে আগামী ২৬ শে জুন থেকে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে ঐশ্বর্য'র প্রথম হলিউডি ছবি পিংক প্যান্থার টু। ঐশ্বর্য এর আগে অবশ্য ভারতের বাইরে বেশ ক'টি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। 'ব্রাইড এন্ড প্রেজুডিস', 'প্রোভোকড', 'দ্য লাস্ট লিজিওন'- ঐশ্বর্য অভিনীত এই ছবি তিনটিই ছিল ব্রিটিশ অর্থায়নে নির্মিত। 'পিংক প্যান্থার টু' ২০০৬ সালের জনপ্রিয় ছবি 'পিংক প্যান্থার'-এর সিকু্যয়াল। স্টিভ মার্টিনের কমেডি'র ভক্ত-দর্শকরা নতুন ছবিতেও হতাশ হবেন না। কমেডির সঙ্গে হালকা চালের রহস্যের বুনন-দর্শকদের ভালো লাগতে বাধ্য করবে। ছবির গল্পের ধরন-ধারণ অনেকটা বলিউডে'র 'ধুম' সিরিজের মতো। চোরদের নিয়ে কাহিনী। বিখ্যাত চোর টর্নেডো একের পর এক বিশ্বের নামীদামি শিল্পকর্ম চুরি করতে থাকে। কোন দেশের পুলিশই তার টিকি ছুঁতে পারে না। তাকে ধরতে বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দাদের দল তৈরি করা হয়, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ফরাসি ইন্সপেক্টর ক্লুজোঁ (স্টিভ মার্টিন); যিনি ঠিকঠাক ভাবে কোন কাজই গুছিয়ে করে উঠতে পারেন না। তার একের পর এক বেচালেই হাতছাড়া হয়ে যায় টর্নেডো'কে পাকড়াও করার সুযোগ। এই গোয়েন্দা দলেরই সদস্য সোনিয়া (ঐশ্বর্য); যিনি সর্বাধিক বিক্রীত গোয়েন্দা গল্প সিরিজের লেখিকা হওয়ার সুবাদে ঠাঁই পেয়েছেন এই দলে। অন্য সদস্যরা কেউ ইতালিয়ান, কেউবা ব্রিটিশ। এরই মধ্যে চুরি যায় বিখ্যাত হীরা, পিংক প্যান্থার। আর তার কিছুদিনের মধ্যেই খুন হয় টর্নেডো। তা হলে কি সেই খুনিই চুরি করেছিল পিংক প্যান্থার? নাকি অন্য কেউ? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ছবির শেষ ভাগ দেখতে হবে। স্টিভ মার্টিন, ঐশ্বর্য ছাড়াও জন ক্লিজ, অ্যান্ডি গার্সিয়া চুটিয়ে অভিনয় করেছেন এই সিকু্যয়ালে।
Labels:
Aishwaria Rai,
Pink Panther 2
14 June 2009
চন্দনা মজুমদারের অ্যালবাম আসছে
‘মনপুরা’ ছবির আলোচিত গান ‘যাও পাখি বলো তারে’- এর শিল্পী চন্দনা মজুমদারের নতুন অ্যালবাম আসছে পহেলা বৈশাখে। অ্যালবামের নাম ‘বন্ধু দয়াময়’। এটির প্রকাশক সঙ্গীতা, জানিয়েছেন চন্দনা নিজেই।নিজের নতুন অ্যালবামের গান সম্পর্কে জানতে চাইলে গ্লিটজকে শিল্পী বলেন, “আমাদের প্রখ্যাত গায়ক- রাধা রমণ, জালাল খাঁ, শাহ আবদুল করিম, শচীন দেব বর্মণ এবং দেলোয়ার আরজুর গান আমি এখানে গেয়েছি।”তিনি আরো জানান, এই অ্যালবামের সবগুলো গানই লোক সঙ্গীতের।অ্যালবামে গান থাকছে ১০টি। গানগুলো হলো- ‘বন্ধু দয়াময়’, ‘কেন গড়াই কাঁদিতেছ’, ‘যত দুঃখ দিলে বন্ধু রে’, ‘দিয়ে সুখের হাসি তোমায় ভালোবাসি’, ‘গেলাম রে ভাটির গাঙ বাইয়া’, ‘পাখি কথা কয় না’, ‘আমার দেহ মাটির গড়া’, ‘আমি কলের গাড়ি’, ‘তুই আমারে করলি পাষাণ’ এবং ‘বহু দিনের পিরিত গো বন্ধু’।অ্যালবাম সম্পর্কে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ছায়নটের লোক সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক চন্দনা গ্লিটজকে বলেন, “এই অ্যালবামে প্রধানত বিচ্ছেদের গান গাওয়া হয়েছে। গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে বলে আশা করছি।”‘বন্ধু দয়াময়’ শিল্পীর ২৮তম অ্যালবাম।
Labels:
Chandana Majumdar
13 June 2009
'বল্ না তুই বল্ না' পাইরেসি হলেও খুশি হৃদয় খান
নিজের কণ্ঠে 'চাই না মেয়ে তুমি' আর পারভেজের কণ্ঠে 'যাবি যদি' গান দু'টির অনন্য জনপ্রিয়তার মধ্য দিয়ে গেল প্রায় এক বছর আলোচনায় ছিলেন হৃদয় খান। হাবিব, অর্ণব, ফুয়াদ, বালামের পর সংগীতে আরও একটি মেধাবী নাম যোগ হয় হৃদয় খানের মধ্য দিয়ে। এর পর অল্প সময়ে জনপ্রিয়তার কাঁধে ভর করে হৃদয় খান বাজারে প্রকাশ করেন ডলি সান্তনীর রিমেক অ্যালবাম 'বনমালী' এবং পারভেজের প্রথম একক 'পথ'। এ দু'টি অ্যালবাম হৃদয় খানের সম্ভাবনার বিপরীতে খুব একটা সাড়া না ফেলতে পারলেও মানের ব্যাপারে মন্দ হয়নি হৃদয়ের সুর-সংগীত। তবে আস্ত এই অ্যালবাম দু'টি দিয়ে প্রত্যাশার বিপরীতে সাড়া না জাগালেও নতুন করে খানিকটা লাইম লাইটের নিচে পড়েছেন হৃদয়। এফএম রেডিওতে বহুল প্রচারিত এবং সেই সুবাদে বাজার জুড়ে পাইরেসি হওয়া তার 'বল্ না তুই বল্ না' শিরোনামের গানটি ভালোই দাবড়ে বেড়াচ্ছে শ্রোতাদের শ্রুতি তেষ্টা মেটাতে। মজার তথ্য হচ্ছে এই পাইরেসি নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন নন এর জনক হৃদয় খান। উল্টো মনে মনে এই পাইরেসিটাকে উপভোগ করছেন। হৃদয় বলেন, একটা গানই তো! ব্যাপার না। তাছাড়া এই যামানায় পাইরেসি নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হয়ে এনার্জি খরচ করার কোন মানে নেই। আমি এটাকে অ্যালবাম প্রচারণার ভালো একটি অংশ হিসেবে দেখছি। আমি কষ্ট পাবো তখন যখন দেখবো অ্যালবামটা প্রকাশের পর সেটি পুরোটাই পাইরেসি হচ্ছে। সে ব্যাপারে আমি এবং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অনেক সচেতন থাকবো। এদিকে এরই মধ্যে হৃদয় খান তার অভিষেক অ্যালবামের কাজ প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। অ্যালবামের নাম রেখেছেন পাইরেসি হওয়া গানের নামে নাম 'বল্ না'। অ্যালবামে গান থাকছে ৯টি। নিজের সুর-সংগীত তার কণ্ঠে থাকছে এ গানগুলো। যেগুলো লিখেছেন তানি, রাজীব এবং গুঞ্জন চৌধুরী। অ্যালবামের গানের শিরোনামগুলো এমন, বিদায় বলেছি বন্ধু, বল্ না তুই বল্ না, চাই না মেয়ে প্রভৃতি। এর মধ্যে জনপ্রিয় 'চাই না মেয়ে' গানটিকে আরেকটি নতুন ভার্সনে তুলে ধরা হবে এ অ্যালবামে। অ্যালবামটি প্রকাশ পাচ্ছে আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে আসন্ন রোজার ঈদকে সামনে রেখে।
Labels:
Ridoy Khan,
হৃদয় খান
11 June 2009
জয়া-ফারুকী এই প্রথম
খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নাটক-চলচ্চিত্রে কাজ করলেও এতদিন তার কোন বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করা হয়ে ওঠেনি জয়া আহসানের। এই প্রথম তিনি তা করলেন। সমপ্রতি ফারুকী স্যান্ডালিনা বিউটি সোপের একটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেছেন। আর এতে মডেল হয়েছেন জয়া। বিজ্ঞাপনটি দুর্দান্ত হয়েছে বলে জয়া অভিমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, এক কথায় অসাধারণ একটি বিজ্ঞাপন হয়েছে এটি। আর ফারুকী ভাইয়ের নির্মাণ মানেই তো ভিন্নতা আর বৈচিত্র্যে ভরপুর। বিজ্ঞাপনচিত্রটিতে পৌরাণিককাল থেকে বর্তমান সময়ের নানা রূপে দেখা যাবে জয়াকে। উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে শুটিং হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রটির।
Labels:
Advertisement,
Joya,
Joya Ahsan,
Mostafa Sarwar Faruki
10 June 2009
ফাহমিদা-সামিনা'র প্রথম দ্বৈত অ্যালবাম
সংগীতের দীর্ঘ পথ আর সফলতার অনেক চড়াই-উৎরাই পেরম্ননো দুই বোন ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরী। জাদুকণ্ঠী এই দুই বোন টেলিভিশনের জন্য বিভিন্ন সময়ে দ্বৈতভাবে একাধিক গানে কণ্ঠ দিলেও একসঙ্গে অ্যালবাম করা হয়নি তাদের। প্রযোজক-শ্রোতাদের ব্যাপক আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেউ এ দু' বোনকে ব্যাটে-বলে মিলাতে পারেনি এ পর্যন্ত। তবে এবার সেই ঘটনাটাই ঘটছে, যা শুদ্ধ আধুনিক বাংলা গানের শ্রোতাদের জন্য বেশ ভাল একটি সংবাদ। তবে মজার তথ্য হচ্ছে, দুই বোন নিজস্ব উদ্যোগে এ অ্যালবামটি তৈরি করছেন। সামিনা চৌধুরীর অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড মিউজিকের অর্থায়নে নির্মাণ চলতি এ অ্যালবামের সংগীত পরিচালনা করছেন যৌথভাবে প্রিন্স মাহমুদ এবং বাপ্পা মজুমদার - এমনটিই জানালেন সামিনা চৌধুরী। তিনি আরও জানান, নিজেদের কাজ নিজেরা করা অনেক ভাল। তাছাড়া প্রিন্স-বাপ্পা'রা তো থাকছেই। তাছাড়া এ অ্যালবামে আমরা নতুন করে তৈরি করছি দু'বোনের গাওয়া চারটি জনপ্রিয় গান। যেগুলো বিভিন্ন সময়ে টিভিতে প্রচার হয়েছে। যেমন পুরনো গানের মধ্যে রয়েছে তোমারই নাম শুভ্র কপোত, আমার সকল সুখে বুবু, চিকিচিতা এবং নাচ কন্যা। এছাড়াও অ্যালবামে থাকছে আমাদের চার ভাই বোনের একটি যৌথ গান, মোট ১২টি গানের মধ্যে বাকি ছয়টি গান থাকবে তিনটি করে দু'বোনের একক কন্ঠে। জানা যায়, এরই মধ্যে অ্যালবামটির সংগীতায়োজনের কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই শুরু হবে ভয়েস রেকর্ডিং এর কাজ। যা আসন্ন ঈদে প্রকাশ করার ভাবনা রয়েছে ওয়ার্ল্ড মিউজিকের ব্যানারে। শুধু তাই নয়, এই অ্যালবামের গানগুলোর নতুন মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করবেন সামিনা চৌধুরী। এ অ্যালবাম প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, মানুষ তো আমাদের দু'বোনকে পাগল করে দিলো। অ্যালবাম না করে উপায় কি! এটা অবশ্যই ভাল লাগার ব্যাপার। এতে করে আমাদের দু'বোনের পুরনো গানগুলো নতুন করে প্রাণ পাবে। আশা করছি, শ্রোতাদের ভাল লাগবে।
Labels:
Audio Album,
Fahmida Nabi,
Music,
Samina Chowdhury
08 June 2009
চমকে দিলেন বাঁধন
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার বাঁধন এবার চমকে দিয়েছেন তিব্বত বিউটি সোপের বিজ্ঞাপন চিত্রের মডেল হয়ে। এই বিজ্ঞাপনচিত্রে বাঁধনের চোখ ধাঁধানো গ্ল্যামার, আর সাবলীল পারফরমেন্স সবাইকে চমকে দিয়েছে। যারা কেয়ারলেস বিউটি কিংবা সাধারণ বাঁধনকে চেনেন তারা তিব্বতের মডেল হিসেবে এক অসাধারণ সুন্দরী বাঁধনকে দেখে অনেকটা অবাকও হয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, এত সৌন্দর্য মেয়েটি কোথায় লুকিয়ে রেখেছিল। বাঁধন বললেন, এই পুরো কৃতিত্ব ফারুকী ভাইয়ের।
Labels:
Badhon,
Lux-Channel i Super Star
07 June 2009
শাকিলা-বাপ্পা মুখোমুখি
শাকিলা জাফরকে অতিথি করে দ্বিতীয়বারের মতো উপস্থাপকের আসনে বসছেন বাপ্পা মজুমদার। এর আগে তিনি চ্যানেল ওয়ানে একটি অনুষ্ঠানের নিয়মিত উপস্থাপক ছিলেন। সেটি বন্ধ হওয়ার লম্বা বিরতির পর এবার তিনি এটিএন বাংলার নতুন মিউজিক্যাল শো 'গানে গানে গল্প' অনুষ্ঠানের নিয়মিত উপস্থাপক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। যা আগামী ৮ই জুন থেকে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে সমপ্রচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পাক্ষিকভাবে তৈরি এ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন রুমানা আফরোজ। অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্ব সাজানো হচ্ছে দেশের প্রথিতযশা একজন সংগীত শিল্পীকে নিয়ে। শিল্পীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি এবং সংগীত জীবনের নানা পর্যায় নিয়ে আলোচনা থাকবে এখানে। শিল্পী সম্পর্কে বলবেন তার ঘনিষ্ঠজন, সুরকার এবং গীতিকারসহ ভক্তবৃন্দ। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করবেন শিল্পী। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানের দুটি পর্ব ধারণ করা হয়েছে এটিএন বাংলা'র বসুন্ধরা স্টুডিওতে। ৮ই জুন অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের আমন্ত্রিত অতিথি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শাকিলা জাফর। সমপ্রতি এই জনপ্রিয় শিল্পী তার সংগীত জীবনের ৩০ বছর পূর্ণ করেছেন। শাকিলা জাফর এ অনুষ্ঠানে দীর্ঘ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। বলবেন অনেক অজানা কথা।
Labels:
Bappa Majumdar,
Shakila Jafor
06 June 2009
বসুধা-আর্বের বর্ণাঢ্য অভিষেক
এখন থেকে দেশের কোন কণ্ঠ শিল্পী, যন্ত্রী, সুরকার, গীতিকার এবং সংগীত সংশিস্নষ্ট কাউকে বিনা চিকিৎসায়, অনাহারে কিংবা দারিদ্র্যের দোহাই নিয়ে দুস্থ হয়ে মরতে দেবো না। সংগীত সংশ্লিষ্টদের যে কোন বিপদ-আপদে পাশে থাকবে বসুধা-আর্ব। কথাগুলো বললেন আসিফ আকবর। এর পর পার্থ বড়ুয়া খানিকটা ক্ষমা চেয়ে মনে জমা এক ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেই বললেন, আমাদের এখানে বেশ ক'বছর ধরে শিল্পীরা প্রযোজনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য মানে শিল্পী-কুশলীদের জন্য অনেক বড় সুখের খবর। কারণ শিল্পীরাই তো শিল্প এবং শিল্পীর সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবে। হতাশার বিষয় হচ্ছে বিগত অভিজ্ঞতায় আমাদের প্রযোজক শিল্পীরা তাদের কথা রাখতে পারেন নি। উল্টো তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটা বন্ধ হয়ে গেছে কিংবা বন্ধ হবার পথে। তাই বসুধা-আর্ব তথা আসিফের কাছে প্রত্যাশা অতীতের এ বিষয়টি মাথায় নিয়ে সে তার যাত্রা শুরু করবে। তবে সব শেষে আইয়ুব বাচ্চু সুবীর নন্দীকে সঙ্গে নিয়ে গিটার আর গলার অনন্য যুগলবন্দি পরিবেশনের আগে বললেন, গুণীরা অভিমানী। এটা চিরন্তন সত্য। আবার আমরা অনেকেই আছি প্রযোজকদের কাছে ধরনা দিতে পারি না, অফিসে গিয়ে বলতে পারি না ভাই আমি এটা করেছি কিংবা এটা করতে চাই। আমার আস্থা বসুধা-আর্ব সেই মানুষগুলোর খোঁজ নেবে। নতুনদের পাশাপাশি পুরনোদেরও মূল্যায়ন করবে। এ তিন জনের লাইভ পারফর্মেন্স আর গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা এবং প্রতিশ্রুতির আলাপের ফাঁকে আরও অনেকে অনেক শুভেচ্ছা, সাধুবাদ আর গানে গানে মাতিয়েছেন আমন্ত্রিতরা। নতুন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বসুধা-আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট লি.-এর অভিষেক অনুষ্ঠান হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় নিকট অতীতের সর্বাধিক জমকালো তারকাপূর্ণ এ অনুষ্ঠানের। সন্ধ্যা ছ'টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যা শেষ হয়েছে রাত এগারোটায়। টানা পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপ গুরু আজম খান, সুবীর নন্দী, আলাউদ্দীন আলী, আইয়ুব বাচ্চু, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, এন্ড্রু কিশোর, ফাহমিদা নবী, শাম্মী আখতার, কুমার বিশ্বজিৎ, রিজিয়া পারভীন প্রমুখ। ক্লোজআপ ওয়ান তারকাসহ সংগীত সংশ্লিষ্ট সর্বস্তরের, সব বিভাগের বেশির ভাগ মানুষের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল এই অনুষ্ঠানে। এর আগে দেবাশীষ বিশ্বাস আর নওশীনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখেন বসুধা-আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ আকবর, প্রেস ক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদসহ আরও অনেকে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য শেষে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অসুস্থ বাউল শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে নগদ ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। যা উপস্থিত সবার কাছে অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এরপর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধনী দিনে দু'টি অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয় উপস্থিত প্রায় সব শিল্পী কলাকুশলীর উপস্থিতিতে। অ্যালবাম দু'টির একটি আসিফের 'দরদীয়ারে', অন্যটি পলাশের 'বৃষ্টি তোমাকে চাই।' অনুষ্ঠানের মধ্য সময়ে এসে আবীদ ও পুতুলের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় চলে শিল্পীদের শুভেচ্ছা প্রদান আর সংগীত পরিবেশনের পালা। যার শুরুটা হয় আসিফের 'বেশ বেশ বেশ সাবাস বংলাদেশ' দিয়ে আর শেষটা হয় সুবীর নন্দী ও আইয়ুব বাচ্চুর অনন্য যুগলবন্দি দিয়ে।
Labels:
Asif Akbar,
Music
04 June 2009
পাঁচ বছর পর তারকা-দম্পতি ফয়সাল-জয়া

প্রায় পাঁচ বছর পর তারকা-দম্পতি ফয়সাল-জয়া একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হয়েছেন। বিজ্ঞাপনে এই তারকা দম্পতির নজরকাড়া উপস্থিতি দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ফয়সাল-জয়ার প্রাণবন্ত কথামালা নিয়ে লিখেছেন অনুরূপ আইচ ও নিপু বড়-য়া শুনেছিনু প্রেমের পাথার নাইকো তাহার কোন দিশা_ শুনেছিনু প্রেমের মধ্যে অসীম ক্ষুধা, অসীম তৃষ্ণা, বীণার তন্ত্রী কঠিন টানে ছিঁড়ে পড়ে প্রেমের তানে, শুনেছিনু প্রেমের কুঞ্জে অনেক বাঁকা গলিঘুঁজি। আমাদের এই দোঁহার মিলন নিতান্তই এ সোজাসুজি।। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোজাসুজি' কবিতার এই পঙ্ক্তিগুলোর মতোই ফয়সাল-জয়ার সম্পর্কটাও পুরোদমে সোজাসুজি। তবুও তাদের নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের অন্ত নেই। প্রথমে আলাদা করে বলি। ১৯৯৪ সালে রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন ফয়সাল। সে সময় বন্ধু পল্লব (মডেল-অভিনেতা) প্রায়ই তাকে মডেলিং করার অনুরোধ করত। একদিন পল্লবের সঙ্গে দেখে আফজাল হোসেন মডেলিং করার জন্য অফার করলেন ফয়সালকে। ব্যাস, শুরু হল পথচলা। তারপর এলিট পেইন্ট, কোকাকোলার বিজ্ঞাপন করেই রাতারাতি তারকা বনে যান ফয়সাল। মজার ব্যাপার হচ্ছে, জয়াও মডেল হিসেবে আত্দপ্রকাশ করেছিলেন কোকাকোলার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। তারপর '৯৫ সালে 'পঞ্চমী' নাটকের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবেও আত্দপ্রকাশ। সেই থেকে আজ অবধি চলছে পথচলা। সম্প্রতি দেশের সবকটি টিভি চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে তারকাদম্পতি ফয়সাল ও জয়ার নতুন বিজ্ঞাপন। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করলেন, অনুভূতিটা কেমন- জানতে চাওয়া হলে ফয়সাল বলেন, 'আমি এমনিতেই কম কাজ করি। আর জয়ার সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। কাজটি ভালো হয়েছে।' ফয়সালের কথায় সুর মিলিয়ে জয়া বলেন, 'ফয়সাল একজন ভালো মডেল-অভিনেতা। ওর সঙ্গে কাজ করে আমারও ভালো লেগেছে এবং অনেকেই বলেছেন কাজটি ভালো হয়েছে।' জয়ার মুখে নিজের প্রশংসা শুনে ফয়সাল কিছুটা লজ্জাই পেলেন মনে হয়। বললেন, 'ও কিন্তু একটু বাড়িয়ে বলছে।' জয়া অবশ্য তার কথায় অনড়- 'মোটেই না, যা সত্যি তাই বলছি।' 'তবে জয়া খুবই স্পষ্টবাদী এই কারণে তাকে আমার বেশি ভালো লাগে' বললেন ফয়সাল। এ প্রসঙ্গে তারা ঝিলমিলের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হল_ আপনাদের মাঝে প্রথম ভালোলাগা সৃষ্টি হয় কীভাবে? ফয়সাল বললেন, "ঘটনাটা আমিই বলি। একদিন এক বন্ধুর বাসায় পত্রিকা পড়তে গিয়ে একটি ফ্যাশন শো'র ছবি চোখে পড়ে। আর এই ছবিতে মডেল ছিল জয়া। তখনও আমি তাকে চিনতাম না। কিন্তু ওর ছবি দেখেই ভালো লেগে যায়। এরপর একদিন হঠাৎ করেই আফজাল ভাইয়ের অ্যাড ফার্ম 'মাত্রা'য় আমাদের প্রথম সাক্ষাৎ হয়। পরিচয় সেখানেই। তারপর মাঝে মাঝে আমাদের কথা হতো। সে এত সুন্দর গুছিয়ে কথা বলত, আমি মুগ্ধ হতাম। এভাবেই ভালোলাগা থেকে ভালবাসার শুরু। পরিচয়ের দু'মাস পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। বিয়ের তারিখটা হচ্ছে ১৪ মে।" ফয়সালের মুখে স্মৃতিচারণ শুনে জয়া হেসে বললেন, "ফয়সালের সরলতা, ব্যক্তিত্ব, বিনয়, সর্বোপরি আমার প্রতি মূল্যায়ন আমাকে আকৃষ্ট করেছিল। সে থেকে আমাদের সুখের সংসার আজোবধি চলছে।" প্রায় এক যুগ পার হতে চলছে ফয়সাল-জয়া'র দাম্পত্য জীবন। বিবাহিত জীবনে এই তারকা-দম্পতি খুবই সুখী। ভালবাসা আর খুনসুটি করেই কেটে যায় তাদের দিন-রাত্রি। বিয়ের পরের জীবন সম্পর্কে জানতে চাইলে ফয়সাল বলেন, 'অন্যসব সাধারণ মানুষের মতোই আমরা আমাদের সংসার চালিয়ে যাচ্ছি। বেশ ভালোই চলছে।' হাস্যোজ্জ্বল মুখে জয়া জানান দিলেন, 'হঁ্যা ভালোই যাচ্ছে।' মাঝে একটি টেলিকমের বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে জয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এমন খবরে দেশজুড়ে জয়ার ভক্তরা উদ্বিগ্ন ছিলেন। সেই সময়ের কথা জানাতে গিয়ে জয়া বলেন, "বিজ্ঞাপনের কনসেপ্টটা ছিল নতুন। তাছাড়া পত্রিকায় বিষয়টি উল্লেখ ছিল। পরিচিত মহল থেকে প্রচুর ফোন এসেছে। ভক্তরা আমাকে কত যে ভালবাসেন তার প্রমাণ মিলেছে ওই ঘটনায়। এই জন্য আমি দুঃখিত। ফয়সাল বলেন, সেই সময় আমার কাছে সবাই জানতে চায় কোথায় হারিয়েছে জয়া! কোথায় গেল! সবাইকে বিষয়টি খুলে বলতে বলতে আমি টায়ার্ড। ওর জনপ্রিয়তা কতটুকু সেদিনই বুঝতে পেরেছি। একে অপরের কাজের প্রতি মূল্যায়ন করতে গিয়ে ফয়সাল যেন ভাবনার অথৈ জলে পড়ে গেলেন। পরক্ষণে তিনি বলেন, জয়া কাজের প্রতি খুব সচেতন। ওর কাজ দেখে আমি আরও অনেক আশাবাদী। জয়া স্মিত হেসে বলেন, ওর কাজ দর্শকরাই মূল্যায়ন করবে। তবে আমি একজন অভিনেত্রী হিসেবে ওর কাজের প্রতি সন্তুষ্ট।' দুজনই কাজের প্রতি বেশ সচেতন। বেছে বেছে কাজ করেন। তারা মনে করেন অল্প কাজ করেও বেশিদিন ইমেজ ধরে রাখা যায়। সংসার আর অভিনয় কিভাবে সামলান? প্রশ্নের উত্তরে জয়া বলেন, 'আমার দুটো সামলাতে তেমন কোনও সমস্যা হয় না। অভিনয় চলে তার নিজস্ব গতিতে। আর সংসার সামলাতে ফয়সাল আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করে। ব্যস্ততার কারণে আমি যে কাজগুলো মিস করি, ও সেটা ম্যানেজ করে। দুটোকেই আমি সমানভাবে মিস করি। 'আসলে সংসার ঠিক তো সব ঠিক। দুজন সংসারের সবকিছু শেয়ার করি। আমি ব্যবসা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকি। পছন্দ হলে কাজ করি। কাজের ফাঁকে সংসারে জয়াকে সময় দেই।' জানালেন ফয়সাল। ক্যারিয়ারের লম্বা সময় অতিবাহিত করে আজও নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন দু'জনে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা প্রায় সমস্বরে বলেন, "ভালো কিছু কাজ করতে চাই আরও। আর সেলিব্রেটি ইমেজ কাজে লাগিয়ে মানুষের জন্য কল্যাণকর কিছু করতে চাই।' আপনারা দু'জন একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে কোনও মজার ঘটনা ঘটেছে কি? এই প্রশ্নের উত্তরে হাসতে হাসতে জয়া বলেন, 'ও যখন শট দিচ্ছিল আমার তাকানো নিষেধ ছিল। আমার ক্ষেত্রেও তাই। দুজনের চোখাচোখি হলেই ভীষণ হাসি পেত আর অভিনয় কোথায় পালায়। একদিন একটা শট ও খুব ভালো করছিল। আমি আনমনা হয়ে অনেক্ষণ দেখছিলাম। হঠাৎ আমার দিকে তাকাতেই দেখি ও আমাকে অন্যদিকে তাকানোর জন্য চোখ রাঙাচ্ছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ ঘুরিয়ে নিই। এটি ছিল আমাদের মজার অভিজ্ঞতা।' ফয়সাল বলেন, এসব কথা মনে উঠলে এখন মাঝে মাঝে হাসি পায়।' সম্প্রতি জয়া মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের কাগজ ও কার্বনের সম্মোহন, সুমন আনোয়ারের 'পাঞ্জাবিওয়ালা', 'কেউ নয় শূন্যতা', তানভীর হোসেন প্রবালের 'টাইপরাইটার'সহ বেশ কটি একক নাটকের কাজ করছেন। পাশাপাশি মেজবাউর রহমান সুমনের 'মিথ্যা তুমি দশ পিঁপড়া' নামে একটি ধারাবাহিকের কাজ শুরু করবেন। খুব শিগগিরই তার নতুন একটি বিজ্ঞাপন প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া তিনি 'ডুবসাঁতার' ও 'বেহুলা লক্ষ্মীন্দর' নামে ডিজিটাল ফিল্মেরও কাজও শেষ করেছেন। এর আগেও ফয়সাল বেশ কটি বিজ্ঞাপনে কাজ করে নন্দিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বনানীতে 'ক্রসরোড' নামে একটি ফ্যাশন হাউজ খুলেছেন। আপাতত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পর্দার বাইরেও এখন এই জুটি একজন অন্যজনের দু'জনের ছোট্ট সংসারে শুধুই ভালবাসা আর ভালবাসা। তাই বাকি জীবনেও তাদের একমাত্র প্রত্যাশা- ভালোবাসার কখনও যেন অবমূল্যায়ন না হয়।
Labels:
Advertisement,
Foysal,
Joya
Subscribe to:
Posts (Atom)